তালা সহকারী জজ আদালত, সাতক্ষীরা।
দেং- /১৯
বাদীঃ
১। মোঃ জালাল গাজী,
পিতা- মৃতঃ জহির উদ্দীন
গাজী
সাং- দক্ষিণ সারসা, পোঃ- সেনেরগাতী,
থানা- পাটকেলঘাটা, জেলা- সাতক্ষীরা।
ব---না---ম
বিবাদীঃ
১।
মোঃ আনারুল শেখ
২। মোঃ আঃ গফুর
শেখ উভয়
পিতা- মৃতঃ আফছার শেখসাং-
দক্ষিণ সারসা, পোঃ- সেনেরগাতী,
থানা- পাটকেলঘাটা, জেলা- সাতক্ষীরা।
৩।
তত্ববধায়ক প্রকৌশলী (সওকা),
বিএ
ডি.সি যশোর সার্কেল
যশোর।
৪। মোঃ আব্দুর রহমান,
সহকারী প্রক্যেশলী বি,এ,ডি,সি (নির্মান), সাতক্ষীরা
সদর, সাতক্ষীরা।
৫।
জেনারেল ম্যানেজার সাতক্ষীরা
পল্লী
বিদ্যুৎ সমিতি পাটকেলঘাটা, জেলা- সাতক্ষীরা।
দাবীঃ- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রাপন বাবদ মোকদ্দমা ।
বাদীর সবিনয় নিবেদন এই যে,
১। অত্র আদালত
জেলা- সাতক্ষীরা, উপজেলা- তালা, থানা- পাটকেলঘাটার অর্ন্তগত সারসা মৌজায় হাল অপয়ঁরৎবফ সূত্রে
মালেক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীন এস,এ
৬৯৫ এবং বর্তমান জরিপে
ডি,পি-৫৮৬ খতিয়ানে
লিখিত সাবেক ১৭১২ হাল ৩৬৬৪
দাগে ৫২ শতক ভূমির
বাবদ বাদীর পিতা জহির উদ্দীন
গাজীর ষোলআনাংশে স্বত্ব দখলী এক জমা
থাকে। উক্ত ৫২ শতক
ভূমি বর্তমান মোকদ্দমার দাবীকৃত বিরোধীয় ভূমি।
২। প্রোক্ত জহির
উদ্দীন গাজীর পরলোকান্তে ২ পুত্র জুব্বার
গাজী, জালাল গাজী, ৪ কন্যা রাহেলা
খাতুন, রাশিদা খাতুন, রাফিয়া খাতুন, আমেনা খাতুন ওয়ারেশ উত্তরনাধিকারী থাকেন।
অতঃপর জালাল গাজী (বাদী) তাহার পিতার অন্যান্য ওয়ারেশগণ শরিকদের সহিত আপোষ বাটোয়ারা
চিহ্নিত মতে নালিশী সম্পূর্ন
৫২ শতক ভূমির উপর
অগভীর নলকূপ বসাইয়া এলেকাবাসী কৃষকদের চাষাবাদ করিবার সুযোগ সুবিধার নিমিত্তে বিএডিসি কলারোয়া ইউনিট এর নিকট অগভীর
নলকূপ বসাইবার আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে
বাদী উপজেলা তালা সেচ কমিটির
অনুমতি লইয়া নালিশী ভূমির
দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে অগভীর নলকূপ
বসাইয়া বি,এ,ডি,সি কলারোয়া ইউনিট
এর অনুমোদন ক্রমে স্মারক নং-৮৮৭(৩),
তারিখ-০৩/১২/২০১৮
এবং সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাটকেলঘাটা এর অনুমোদন সাপেক্ষে
নিজ খরচে ৫টি রসিদের
মাধ্যমে ১,৫২,৩৪৭/-
টাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে জমা দিয়া মেইন
লাইন হইতে ২টি পোল
এর মাধ্যমে অগভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়া ১৫.০০
একর ভূমিতে সেচ দিয়া এলাকার কৃষকদের
চাষাবাদ করিবার সুযোগ প্রদান করিয়া আসিতেছেন।
প্রকাশ থাকা আবশ্যক যে,
১নং বিবাদী বিগত ইং- ১৯/০৩/১৯ তারিখে
বিজ্ঞ নোটারী পাবলিকের কার্যালয়, সাতক্ষীরা এক এফিডেভিটের মাধ্যমে
ঘোষনা দেন যে, আমি
(১নং বিবাদী) কপোতাক্ষ নদ সংলগ্ন খালের
পাশে এল এল বি
(পাওয়ার পাম্প) বসাইয়া উল্লেখিত রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে (পূর্বমাঠ) কোন জমিতে বর্তমান
ও ভবিষ্যতে কোন কাজে পানি
সরবরাহ করিব না বা
করিবার চেষ্টা করিব না এবং
আরও অঙ্গীকার করেন যে, পাওয়ার
পাম্প বসানোর স্থান হইতে উল্লেখ্য রাস্তার
পূর্বপাশের সিমানার মধ্যে পানি সরবরাহের কোন
পয়েন্ট বর্তমানে ও ভবিষ্যতে স্থাপন
করিব না।
৩। বর্নিত প্রকারে
ও আকারে বাদী তাহার ওয়ারেশসূত্রে
প্রাপ্য ভূমিতে খাষে স্বত্ববান ও
ভোগদখলীকার থাকিয়া এলেকা বাসী সর্ব সাধারনের
জ্ঞাতসারে, সর্ব সাধারণ কৃষকের
অনূকূলে চাষ কারিকীত সুযোগ
সুবিধা প্রদানে অন্যের নিরাংশে নির্বিবাদে অন্য কাহারও স্বত্ব
স্বার্থ অধিকার অস্বীকারে নালিশী ভূমিতে অগভীর নলকূপ বসাইয়া তালা সেচ কমিটির
অনুমোদনক্রমে বি.এ.ডি.সি ও পল্লী
বিদ্যুৎ সমিতি পাটকেল ঘাটা শাখার অনুমোদন
ক্রমে নিজ খরচায় ১,৫১,৩৪৭ টাকা
জমা প্রদানে রশিদ প্রাপ্তে
১৫.০০ একর ভূমিতে
সেচদিয়া ও সেচ কার্য্যাদি
পরিচালনার জন্য পাইপ লাইন
তৈরী বাবদ ৩,০০,০০০/= (তিন লক্ষ) টাকা
খরচ করতঃ এলেকার কৃষকদের
চাষাবাদ সুযোগ প্রদান করিবার গতিকে বিবাদী বা অন্য কাহার
সেচ কার্যাদী ব্যতিত নালিশী ভূমিতে বাদীর স্থাপিত অগভীর নলকূপ দ্বারা নিজ সেচ কার্যাদি
চাষাবাদ করিবার এক স্বত্ব স্বার্থ
অধিকার অর্জিত হইয়াছে।
৪। এক্ষনে বিগত
ইং- ২০/০৫/২০১৯
তারিখ বাংলা ১৪২৬ মাসের ০৬
ই জৈষ্ঠ তারিখে ১/২ নং
বিবাদী ৩/৪ নং
বিবাদীর সহিত যোগসাজসে বাদীর
ব্লকের অভ্যন্তরে সম্পূর্ন বে-আইনী অনাধিকার
মূলক ভাবে এল, এল
পি পাওয়ার পাম্প বসাইয়া সেচ কার্যাদী করিবেন
বাদীকে ক্ষতিগ্রস্থ করিবার অপমানষে নানা ধরনের হুমকি
সহ ভীতি প্রদর্শন ও
আষ্ফালন করিতেছে। যাহা সম্পূর্ন রূপে
অন্যায় ও অনাধিকার মূলক
হইতেছে। তেহ বাদীপক্ষ অত্রাদালতে
অত্রাকারে অত্র মোকদ্দমা আনায়ন
করিলেন।
বর্নিত কারন ও অবস্থা
মতে বাদী পক্ষে একটি
প্রাইমাফেসী এন্ড আরগুএ্যাবল কেস
রহিয়াছে। ব্যালেন্স অফ কনভেনিয়ান্স এন্ড
ইনকনভেনিয়ান্স বাদীর অনুকূলে। সে কারন বিবাদী
পক্ষকে তাহাাদের উদ্দীষ্ট কার্যাদি সম্পাদন হইতে বিরত রাখা
না গেলে বাদীর অপূরনীয়
ক্ষতি হইবে যাহা গড়হবু
ঠধষঁব দ্বারা মোটেই পুরন যোগ্য নহে।
বিধায় অত্র মোকদ্দমার বাদী
প্রার্থিত মতে ডিক্রী পাইতে
হকদার হইতেছে। নালিশী ভূমিতে বিবাদীদের কোন স্বত্ব স্বার্থ
অধিকার বা সংশ্রব নেই
বা অধিকার কোন কারন ও
নেই বা উক্ত সেচ
কার্যাদি সম্পাদনের কোন অধিকার কোন
দিন ছিল না সে
কারন আদালতের প্রমান স্থলে বিবাদী পক্ষ তাহাদের দাবীর
বুনিয়াদে কোন কাগজ পত্রাদি
বা দলিলাদী উপস্থাপন করিলে তদক্ষেত্রে এই বাদী দৃঢ়
ভাবে বলেন ও বিশ্বাস
করেন যে উহা জাল,
তঞ্চকী, পূর্ন যোগাযোগী হাসিলী ভূয়া অকার্যকরী বল
শুন্য এন্টিডেটেড কাগজের কারবার হইতেছে
মাত্র।
৫। নালিশের কারনঃ
বিবাদী পক্ষ বিগত ইং-২০/০৫/১৯
তারিখ বাংলা ১৪২৬ সালের ০৬
ইং জৈষ্ঠ্য তারিখে বাদী পক্ষের নালিশী
ভূমিতে বিবাদীগণ কে সেচ কার্যাদি
করিবেন ও বাদীর সেচ
কার্যাদি জোর পূর্বক বাধা
গ্রস্থ করিবার অপমানষে হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন
করিবার সময় নালিশী সেচ
কার্যাদি সম্পাদনের ভূমি অত্রদালতের স্থল
হওয়ায় অত্রাদালতের এলাকাধীন অত্র মোকদ্দমা দায়েরের
কারন উদ্ভব হইয়াছে।
৬। আদালতের এলেকা
ও কোর্ট ফি অত্র মোকদ্দমার
বিরোধীয় ভূমির সেচপ্রকল্প অত্রাদালতের এলেকাধীন তালা থানায় অবস্থিত
হওয়ায় এবং নোশনাল ভ্যালু
১৫০০০/- টাকা হওয়ায় অত্রাদালতের
অত্র মোকদ্দমা বিচার নিষ্পত্তি করিবার সঠিক এখতিয়ার রহিয়াছে।
প্রার্থিত প্রতিকার বাবদ নোশনাল ভ্যালুর
পর রুশম প্রদত্ত হইল।
৭। প্রার্থনাঃ সেমতে
প্রার্থনা আরজির বর্ননামতে (ক) অত্র মোকদ্দমার
নালিশী তফসিল ৫২ শতক ভূমি
সহ বেনালিশী ১৫.০০ একর
মধ্যে বিবাদী পক্ষ যাহাতে বাদীকে
জোর পূর্বক নালিশী ভূমি দখল করিয়া
সেচ প্রকল্প বাধাগ্রস্থ করিতে না পারেন। শান্তিপূর্ন
ভোগদখল ও সেচ কার্যাদি
সম্পাদনে নিঘ্ন সৃষ্টি করিতে না পারেন। স্থিতিবস্থা
নষ্ট করিতে না পারেন তদবাবদ
বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রী দিতে।
খ) অত্র মোকদ্দমার
যাবতীয় খরচার ডিক্রী দিতে।
গ) আইন, ন্যায় ও যুক্তিমতে বাদী পক্ষ আর আর যে প্রতিকার পাইতে হকদার তাহার ডিক্রী দিতে আরজ হয়।
তপশীল
ভূমি
জেলা- সাতক্ষীরা, উপজেলা- তালা, থানা- পাটকেলঘাটা, অন্তর্গত মৌজা- সারসা, এস, এ-৬৯৫
নং খতিয়ান, এস,এ-১৭১২
দাগ বর্তমান হাল জরিপে ডি,পি ৫৮৬ নং
খতিয়ানে ৩৬৬৪ দাগে .৫২
শতক দাবীকৃত বিরোধীয় ভূমি ।
ভি,এস
অত্র
মোকদ্দমার নোশনাল ভ্যালু ১৫০০/- টাকা ধৃত হইল।
সত্যপাঠ
অত্র
আরজির যাবতীয় বিবরন সকল সত্য জানিয়া
সত্যপাঠে নিজ নাম সহি
সম্পাদন করিলাম।