আরজি কি ?
আরজির সংগা দেওয়ানী কার্যবিধিতে নাই। তবে আরজি সম্পকে যাবতীয় বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির ২৬ ধারা ৪ ও ৭ আদেশে বলা হয়েছে । উক্ত ধারা ও আদেশ বিশ্লেষন করলে বলা যায় যে “ ঘটনার বিবরন, মামলার কারন ও প্রতিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করার নাম আরজি । সে হেতু আরজি একটি আবেদন।
আরজি খারিজ কি?
নিম্মলিখিত যে কোন একটি কারন ঘটলে আরজি খারিজ হতে পারে।
১। আরজিতে মামলার কারন উল্লেখ না করলে ,
২। আরজির বিষয়বস্তুর মুল্যমান কম হলে,
৩। কোট ফি কম হলে এবং
৪। অঅইন দ্বারা বারিত হলে ।
আরজি খারিজ হলে তদক্ষেত্রে প্রতিকার নিম্মলিখিত যে কোন উপায়ে করা যায় ।
১। আপিল করা যায় ।
২। রিভিউ করা যায়
৩।দেওয়ানী কার্যবিধিরে ১৪৯ ধারায় দরখাস্ত দ্বারা সংশোধন করা যায় ।
আরজি খারিজ ও মামলা খারিজের পার্থক্য ঃ
১। আরজি খারিজ হয় ৭ আদেশের ১১ বিধির বিধান মতে ৪ টির যেকোন একটি কারনে - যেমন মামলার কারন না থাকলে, মুল্যমান কম হলে , কোট ফি কম হলে এবং আইনে বারিত হলে ,অপর দিকে মামলা খারিজ হয় ৯ আদেশের ২ , ৩ , ৫ ও ৮ বিধির বিধান মতে খারিজ হয় । যেমন ৯ আদেশ বিধি ২ - মামলার সমনাদি বা খরচাপাতি না দিলে আরজি খারিজ হয়, ৯ আদেশ বিধি ৩- শুনানীর তারিখে বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিত থাকলে মামলা খারজি হয় ,৯ আদেশ ৫ বিধি - ৩০ দিনের মধ্যে সমন জারীর ব্যাবস্থা না করতে পারলে মামলা খারিজ হয় এবং ৯ আদেশ বিধি ৮ - শুনানীর তারিখে বাদী গরহাজির বিবাদী হাজির, বিবাদী যদি বাদীর দাবী অস্বীকার করে তাহলে মামলা খারিজ হয় ।
২। আরজি খারিজ হলে প্রতিকার ৯৬ ধারা বিধান মতে আপিল বা ৪৭ আদেশ ১ বিধি ও ১১৪ ধারার বিধান মতে রিভিউ এবং ১৪৯ ধারায় দরখাস্ত দ্বারা , অন্যদিকে মামলা খারিজের প্রতিকার হল - ৯ আদেশ ৪ ও ৯ আদেশ ৯ বিধি,৯(ক) বিধির বিধান মতে মামলা খারিজ রদ করা যায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন